জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো বিয়ে, যা শুধু একটি সামাজিক বন্ধনই নয়, বরং ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতও বটে।
- আনচেলত্তি-ই ২০৩০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের কোচ থাকছেন
- * * * *
- কুমিল্লায় গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
- * * * *
- দেশের উত্তরাঞ্চলে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত, জানা গেল উৎপত্তিস্থল
- * * * *
- সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত মুরাদের দাফন সম্পন্ন তার নিজ গ্রামে
- * * * *
- ব্রিগেডের মঞ্চে মোদি প্রবীণ নেতার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন
- * * * *
দোয়া পড়বেন
মৃত ব্যক্তিকে দাফনের মাধ্যমে দায়িত্ব শেষ করে দেয় না ইসলাম। বরং দাফনের পরপরই কবরবাসীর জন্য দোয়া, ইস্তেগফার ও ইমানি দৃঢ়তা কামনা করা সুন্নাহ ও মুস্তাহাব আমল।
সামান্য অসচেতনতায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। আগুন দেখে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে তা নিভানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। অতঃপর আল্লাহর কাছে তা সহজে নির্মূলে দোয়া ও আমল করা জরুরি।
দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। বান্দা আল্লাহর নিকট দোয়া না করলে আল্লাহ রাগান্বিত হন। তিনি বান্দার ডাকে সর্বদা সাড়া দেন।আল্লাহ কোরআনে বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। (সুরা মুমিন:৬০)
অন্যকে দাওয়াত দেওয়া, মেহমানকে খাওয়া বিশ্বের প্রায় সব দেশ, সব অঞ্চলের ঐহিত্য ও সংস্কৃতির অংশ। মেহমানকে খাইয়ে খুশি হয় না এমন মানুষ পাওয়া ভার। মেহমানের আপ্যায়ন করা রাসুল (সা.) এবং সাহাবিদের সুন্নতের অংশ।
ভালো-মন্দ সব ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যেতে হয় একজন মানুষকে। সবগুলোই আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে।
নবী জাকারিয়া আ. আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তান লাভের জন্য একটি দোয়া করেছিলেন। দোয়াটি পবিত্র কোরআনের সূরা আল ইমরানের ৩৮ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নেক ও সৎ সন্তান কামনা করেছিলেন।
শাবান মাস শেষ হওয়ার পথে। কয়েকদিন পর পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখবেন এ দেশের মুসলমানরা। চাঁদ দেখার ঘোষণা আসবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে।
ইফতারসহ যে কোনো খাওয়া-দাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ পড়া সুন্নত।
বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, দুশ্চিন্তা কিংবা কোনোকিছু চেয়ে বরাবরই মুমিনরা সৃষ্টিকর্তার দরবারে দু’হাত তুলে ধরেন। মহান আল্লাহ তা’আলাও খোদ ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।