জীবনে চলার পথে মানুষ নানা বিপদ-আপদের সম্মুখীন হয় । এতে ধৈর্য ধারণ ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা মুমিনের কর্তব্য।
দোয়া পড়বেন
আরাফা আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে চেনা, জানা। দীর্ঘদিন বিচ্ছেদের পর হযরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) পরস্পরের দেখা হয়- আরাফাতের দিন।
রাত মানুষের বিশ্রাম ও প্রশান্তির সময়। কিন্তু অনেক সময় দুশ্চিন্তা, ভয়, মানসিক চাপ বা অস্থিরতার কারণে ঘুম আসে না।
জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো বিয়ে, যা শুধু একটি সামাজিক বন্ধনই নয়, বরং ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতও বটে।
মৃত ব্যক্তিকে দাফনের মাধ্যমে দায়িত্ব শেষ করে দেয় না ইসলাম। বরং দাফনের পরপরই কবরবাসীর জন্য দোয়া, ইস্তেগফার ও ইমানি দৃঢ়তা কামনা করা সুন্নাহ ও মুস্তাহাব আমল।
সামান্য অসচেতনতায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। আগুন দেখে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে তা নিভানোর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। অতঃপর আল্লাহর কাছে তা সহজে নির্মূলে দোয়া ও আমল করা জরুরি।
দোয়া একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। বান্দা আল্লাহর নিকট দোয়া না করলে আল্লাহ রাগান্বিত হন। তিনি বান্দার ডাকে সর্বদা সাড়া দেন।আল্লাহ কোরআনে বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। (সুরা মুমিন:৬০)
অন্যকে দাওয়াত দেওয়া, মেহমানকে খাওয়া বিশ্বের প্রায় সব দেশ, সব অঞ্চলের ঐহিত্য ও সংস্কৃতির অংশ। মেহমানকে খাইয়ে খুশি হয় না এমন মানুষ পাওয়া ভার। মেহমানের আপ্যায়ন করা রাসুল (সা.) এবং সাহাবিদের সুন্নতের অংশ।
ভালো-মন্দ সব ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যেতে হয় একজন মানুষকে। সবগুলোই আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে।
নবী জাকারিয়া আ. আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তান লাভের জন্য একটি দোয়া করেছিলেন। দোয়াটি পবিত্র কোরআনের সূরা আল ইমরানের ৩৮ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নেক ও সৎ সন্তান কামনা করেছিলেন।